The package:
Customer can opt for any combination of 1,2,3 ( like 1+2 or 2+3 or 1+2+3)
*********************************
1. Basic promotion: $1000 per month (50% off for being first)
A. Email blasting to 500,000 NRI email database-once a week.
B. Facebook or Linkdin /Orkut promotion among NRIs-will be mailed to 250,000 NRI profiles in Facebook.
( We will prepare the news, graphics and all sort of promotional text for you in case you do not have enough pomotional material
A sample text which we have made as promotional news to Facebook/Linkdin/Orkut/email blasting recently is provided for your review
http://sciencelatestdiscovery.blogspot.com/2009/10/travel-fromnew-york-to-delhi-in-two.html
)
2. Add on radio promotion : $500 per month
1. Radio interview of 10 minutes posted in youtube, rediffishare , Metcafe and blasted to Facebook and different NRI Forums
2. Radio interview posted in Fosaactv and blasted to 500,000 email data base
Sample (that we have prepared for our customers)
http://www.esnips.com/doc/0f5e67a5-28f7-4b3d-b0f2-0868d5041643/YonFinal
3. Add on -video promotion -$500 per month
1. Video interview of 10 minutes posted in youtube, rediffishare , Metcafe and blasted to Facebook and different NRI Forums
2. Video interview posted in Fosaactv (www.fosaac.tv ) /Politico India (www.politicoindia.com)+ blasted to 500,000 NRI email data base
Sample:
http://www.fosaac.tv/watch1.asp?vedio2=D000072
http://www.youtube.com/watch?v=wewm4qevZ5g&feature=player_embedded
Monday, October 26, 2009
Sunday, March 15, 2009
ক্যালিফোর্নিয়ার পিঙ্ক ফ্রাইডে
গত শুক্রবার (১৩ই মার্চ) দেউলিয়া ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যসরকার ১ লক্ষ সরকারী কর্মচারীকে ছাঁটাই এর নোটিশ ধরিয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ হাজার স্কুল শিক্ষক। আমেরিকার ইতিহাসে একদিনে এটি বৃহত্তম ছাঁটাই। ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তর থেকে দক্ষিনে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শিক্ষক শিক্ষিকারা। সব শহরে পিঙ্ক রঙের সার্ট পরে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা। মিডিয়া এই কালোদিনকে ডাকছে "পিঙ্ক ফ্রাইডে"। পথ চলতি গাড়িগুলি হঙ্ক করে তাদের সমর্থন জানাচ্ছে।
একই দিনে খবর এ আই জ়ির কর্নাধাররা ১৬০ মিলিয়ান ডলার বোনাস নিচ্ছে ট্যাক্স পেয়ারদের বেইল আউটের পয়সা থেকে। ওয়াশিংটন সব জেনেও আইনগত কারনে নাকি আটকাতে পারছে না-ক্ষোভই সার। এই এ আই জি বর্তমান কোয়ার্টারে ৬০ বিলিয়ান ডলার লস করে সরকার থেকে ১৬০ বিলিয়ান ডলার বেইল আউট প্যাকেজ পেয়েছে দুই দফায়। যেসব লোভী ম্যানেজারদের জন্যে আজ আমেরিকা তথা গোটা পৃথিবীর দুরাবস্থা, তারা মিলিয়ান ডলার বোনাস তুলছেন ট্যাক্স পেয়ারদের টাকায়। আর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তাড়াতে হচ্ছে স্কুল থেকে আমাদের ছেলেমেদের ভবিষ্যত অন্ধকার করে দিয়ে। ধণতন্ত্রের কঙ্কাল চারিদিকে।
ক্যালিফোর্নিয়ার শিক্ষার হাল এমনিতেই খুব করুন। ৫২ টি রাজ্যের মধ্যে ৫০তম। ৩৫% শিক্ষক-শিক্ষিকা কম এমনিতেই ছিল। এখানে একটু সামর্থ্য থাকলে সবাই ছেলেমেয়েদের বেসরকারী স্কুলে পাঠাতে বাধ্য হয়। এমন নয় বেসরকারীস্কুল আমেরিকায় সবাই পছন্দ করে। ইস্টকোস্টে বেসরকারী স্কুল গুলি মোটেও ভাল না-সবাই সরকারী স্কুল পছন্দ করে। ক্যালিফোর্নিয়াও ব্যাতিক্রম ছিল না-কিন্ত স্কুলে ৩৫% শিক্ষক শিক্ষিকা না থাকলে সেই স্কুল চলবে কি করে? এই ছাঁটাই এর পর-তা আরো মারাত্মক হল। এমনিতেই প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষায় ক্যালিফোর্নিয়া সব থেকে পিছিয়ে। এবার স্কুলগুলো চলবে কি করে কে জানে! স্কুল চালানোর পয়সা নেই অথচ ঘটা করে এরা ইরাকের যুদ্ধ চালিয়ে যায়। যাতে ওয়াশিংটনের ঠিকেদারদের পকেট ভরে। জনসাধারনের ছেলেমেয়েরা শিক্ষিত হল কি না তাতে তাদের কি যায় আসে! ইরাকের যুদ্ধে শুধু ইরাকের লোকই মরে নি-আমেরিকান ভবিষ্যত প্রজন্মও পঙ্গু হয়ে গেছে শিক্ষার টাকা যুদ্ধে ঢালায়। হ্যাঁ-এটাই হচ্ছে উদারনীতির ধণতন্ত্র-সরকারকে লুঠে খেয়ে দেশকে দেউলিয়া করার রাজপথ।
ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সর্বোৎকৃষ্ট ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সিস্টেম চালায়। সেখানেও অধ্যাপকদের বলা হচ্ছে নিজেদের বেতন নিজেদের উপায় করতে হবে। সরকার বেতন দিতে পারবে না। তাদের প্রোজেক্ট থেকে স্যালারী জোগার করতে হবে। এটা অনেক স্কুলেই ছিল-এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল প্রফেসরদের এতে সমস্যা নেই। বিজ্ঞান এবং কলা বিভাগের অধ্যাপকরা সম্পূর্নই প্রায় সরকারি মাইনার ওপর নির্ভরশীল। কেও কেও ব্যাতিক্রম। তাদের সামনে ঘোর দুর্দিন।
আমি বুঝতে পারছি না ব্যাঙ্কগুলো বাঁচাতে শয়ে শয়ে বিলিয়ান ডলার ঢালা হচ্ছে। এই সেই ব্যাঙ্কগুলি- যাদের দুর্নীতি এবং লোভে আজ অর্থনীতি রসাতলে। সরকারে নিজেদের দালালদের ম্যানেজ করে তারা তাদের কৃতকর্মের পুরষ্কার স্বরূপ মিলিয়ান ডলার বোনাস পাচ্ছেন। আর ভুগছে সাধারন শ্রমিক। শিক্ষকরা। এইসব চোখের সামনে দেখে ভোটে বাক্সে ফেটে পরেছিল আমেরিকা-কিন্ত যত দিন যাচ্ছে অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছে। ওবামা চেষ্টা করেও বোনাস আটকাতে পারছেন না। মাইনে বেঁধেদিতে গেলেন-তাই বেশ উঁচু মাইনে। সেটাও শুনছি আইন পরিবর্ত্তন না করে আটকাতে পারবেন না। সরকারী বেইল আউটের টাকায় সব ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানী তাদের ম্যানেজমেন্টের জন্যে লাস ভেগাসে আমোদের আয়োজন করছেন-আর স্কুলে শিক্ষক নেই। সত্যি একেই বলে ফ্রি-মার্কেট। আমার ত মনে হচ্ছে ফ্রি লুঠতরাজ।
এই ধরনের সমাজের পতন হতে বাধ্য। অটোকারেকশন এখুনি দরকার। আমেরিকানরা ব্যাঙ্ক এবং ইন্সুয়ারেন্সের জাতীয়করন দাবী করছে। কোন কোন সেনেটর এতে গলা মেলালেও, ওভারঅল কিছু হবে বলে মনে হচ্ছে না। কারন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বিদেন নিজেই একসময় সেনেটর থাকা কালীন ইন্সুরান্স কোম্পানীদের স্বার্থ দেখেছেন। ওবামা কেন বিদেনকে পছন্দ করলেন-আমাদের অনেকের কাছেই তা পরিস্কার না।
কিন্ত সে যাইহোক মন্দের ও ভাল দিক থাকে। দেখা যাচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন কংগ্রেসম্যানরা জনসনংযোগ এখন আরো ভাল করছেন। ফ্যাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমের বিরুদ্ধে জনগনের ক্ষোভ সেনেটে দ্রুত পৌঁছচ্ছে। ব্লগে ব্লগে ক্ষোভ ফেটে পড়ছে। প্রযুক্তির সাথে গণতন্ত্র উন্নত হবে-এটাই কাম্য ছিল। সব থেকে বড় কথা এনরন থেকে ওয়ার্ল্ডকমের ঘটনায় জনগন এটা বুঝেছে নামি দামি দামী কোম্পানীর সি ই ও দের হিরো বানায় মিডিয়া-আসলেই তাদের সাথে পেশাদার চোরেদের পার্থক্য কম। উভয়েই টাকার লোভে জেলে যাওয়ারও রিক্স নিতে পারে। ফলে কর্পরেট আমেরিকার পক্ষে এই নতুন উজ্জীবিত জনগনকে সিএন এন আর ফক্স নিউজের গল্প দিয়ে ম্যনেজ করা যাচ্ছে না। আর কোন দিন যাবেও না। কারন স্যোশাল অলটারনেট মিডিয়াগুলো এখন আমেরিকাতে প্রচন্ড শক্তিশালী।
আমাদের দেশে ব্যাঙ্কিং এবং ইন্সিউরান্সকে বেচে দেওয়ার যে পক্রিয়া শুরু হয়ছে-তাকে থামাতে হবে। সিপিএম, কংগ্রেস, মায়াবতী, বিজেপি কেওই একে ঠেকাবে না। রাজনীতিবিদদের পার্টির নাম, এজেন্ডা বদল হয়-আসলে কেহই এই ব্যাবসায়ীগোষ্ঠির জাল কাটতে পারে না। এটা পশ্চিমবঙ্গে বামেদের অবস্থা থেকে পরিস্কার বোঝা উচিত। ওরা ভোট চাই বেসরকারীকরন আটকাবে বলে। কিন্তু সেরকম কিছু সদিচ্ছা থাকলে, আমি আগেই লিখেছিলাম, প্রকাশ কারাত তৃতীয় সার্কাসে বিজেপির প্রাত্তন দোশরদের পেছনে না ঘুরে, অন্যান্য রাজ্যে আন্দোলনে নামতেন, জমি তৈরী করতে। সেই সদিচ্ছা নেই। তাই যেসব বামপন্থী বেসরকারীকরন আটকানোর জন্যে সিপিএমের ওপর নির্ভর করতে চান-তারা মারাত্মক ভুল করবেন।
এই বেসরকারীকরন আটকানো বা ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমের জাতীয়তাকরন, একমাত্র জনগনের চাপেই হতে পারে। মিডিয়া এই ব্যাপারে ব্যাবসায়ীদের পক্ষ নেবে-তাই আমাদের এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্যে আমেরিকান মতন অলটারনেট মিডিয়ার আরো বেশী করে ব্যাবহার করতে হবে। আমাদের দেশে ইন্টারনেট সবার কাছে পৌছায় না-ফলে সেই অসুবিধাটা আছেই। কিন্তু যতটা সম্ভব ব্লগ, ইন্টারনেট রেডিও, ইউ টিউবের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতন জনগন যেন অন্যদের সাথে তাদের ক্ষোভ এবং মতামত ভাগ করে নিতে পারে-সেই গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালু করতে হবে। জনগনের মিডিয়ার সামনেই একমাত্র প্রকৃত গণতন্ত্র আসবে।
একই দিনে খবর এ আই জ়ির কর্নাধাররা ১৬০ মিলিয়ান ডলার বোনাস নিচ্ছে ট্যাক্স পেয়ারদের বেইল আউটের পয়সা থেকে। ওয়াশিংটন সব জেনেও আইনগত কারনে নাকি আটকাতে পারছে না-ক্ষোভই সার। এই এ আই জি বর্তমান কোয়ার্টারে ৬০ বিলিয়ান ডলার লস করে সরকার থেকে ১৬০ বিলিয়ান ডলার বেইল আউট প্যাকেজ পেয়েছে দুই দফায়। যেসব লোভী ম্যানেজারদের জন্যে আজ আমেরিকা তথা গোটা পৃথিবীর দুরাবস্থা, তারা মিলিয়ান ডলার বোনাস তুলছেন ট্যাক্স পেয়ারদের টাকায়। আর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তাড়াতে হচ্ছে স্কুল থেকে আমাদের ছেলেমেদের ভবিষ্যত অন্ধকার করে দিয়ে। ধণতন্ত্রের কঙ্কাল চারিদিকে।
ক্যালিফোর্নিয়ার শিক্ষার হাল এমনিতেই খুব করুন। ৫২ টি রাজ্যের মধ্যে ৫০তম। ৩৫% শিক্ষক-শিক্ষিকা কম এমনিতেই ছিল। এখানে একটু সামর্থ্য থাকলে সবাই ছেলেমেয়েদের বেসরকারী স্কুলে পাঠাতে বাধ্য হয়। এমন নয় বেসরকারীস্কুল আমেরিকায় সবাই পছন্দ করে। ইস্টকোস্টে বেসরকারী স্কুল গুলি মোটেও ভাল না-সবাই সরকারী স্কুল পছন্দ করে। ক্যালিফোর্নিয়াও ব্যাতিক্রম ছিল না-কিন্ত স্কুলে ৩৫% শিক্ষক শিক্ষিকা না থাকলে সেই স্কুল চলবে কি করে? এই ছাঁটাই এর পর-তা আরো মারাত্মক হল। এমনিতেই প্রাথমিক-মাধ্যমিক শিক্ষায় ক্যালিফোর্নিয়া সব থেকে পিছিয়ে। এবার স্কুলগুলো চলবে কি করে কে জানে! স্কুল চালানোর পয়সা নেই অথচ ঘটা করে এরা ইরাকের যুদ্ধ চালিয়ে যায়। যাতে ওয়াশিংটনের ঠিকেদারদের পকেট ভরে। জনসাধারনের ছেলেমেয়েরা শিক্ষিত হল কি না তাতে তাদের কি যায় আসে! ইরাকের যুদ্ধে শুধু ইরাকের লোকই মরে নি-আমেরিকান ভবিষ্যত প্রজন্মও পঙ্গু হয়ে গেছে শিক্ষার টাকা যুদ্ধে ঢালায়। হ্যাঁ-এটাই হচ্ছে উদারনীতির ধণতন্ত্র-সরকারকে লুঠে খেয়ে দেশকে দেউলিয়া করার রাজপথ।
ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সর্বোৎকৃষ্ট ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সিস্টেম চালায়। সেখানেও অধ্যাপকদের বলা হচ্ছে নিজেদের বেতন নিজেদের উপায় করতে হবে। সরকার বেতন দিতে পারবে না। তাদের প্রোজেক্ট থেকে স্যালারী জোগার করতে হবে। এটা অনেক স্কুলেই ছিল-এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল প্রফেসরদের এতে সমস্যা নেই। বিজ্ঞান এবং কলা বিভাগের অধ্যাপকরা সম্পূর্নই প্রায় সরকারি মাইনার ওপর নির্ভরশীল। কেও কেও ব্যাতিক্রম। তাদের সামনে ঘোর দুর্দিন।
আমি বুঝতে পারছি না ব্যাঙ্কগুলো বাঁচাতে শয়ে শয়ে বিলিয়ান ডলার ঢালা হচ্ছে। এই সেই ব্যাঙ্কগুলি- যাদের দুর্নীতি এবং লোভে আজ অর্থনীতি রসাতলে। সরকারে নিজেদের দালালদের ম্যানেজ করে তারা তাদের কৃতকর্মের পুরষ্কার স্বরূপ মিলিয়ান ডলার বোনাস পাচ্ছেন। আর ভুগছে সাধারন শ্রমিক। শিক্ষকরা। এইসব চোখের সামনে দেখে ভোটে বাক্সে ফেটে পরেছিল আমেরিকা-কিন্ত যত দিন যাচ্ছে অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছে। ওবামা চেষ্টা করেও বোনাস আটকাতে পারছেন না। মাইনে বেঁধেদিতে গেলেন-তাই বেশ উঁচু মাইনে। সেটাও শুনছি আইন পরিবর্ত্তন না করে আটকাতে পারবেন না। সরকারী বেইল আউটের টাকায় সব ফাইন্যান্সিয়াল কোম্পানী তাদের ম্যানেজমেন্টের জন্যে লাস ভেগাসে আমোদের আয়োজন করছেন-আর স্কুলে শিক্ষক নেই। সত্যি একেই বলে ফ্রি-মার্কেট। আমার ত মনে হচ্ছে ফ্রি লুঠতরাজ।
এই ধরনের সমাজের পতন হতে বাধ্য। অটোকারেকশন এখুনি দরকার। আমেরিকানরা ব্যাঙ্ক এবং ইন্সুয়ারেন্সের জাতীয়করন দাবী করছে। কোন কোন সেনেটর এতে গলা মেলালেও, ওভারঅল কিছু হবে বলে মনে হচ্ছে না। কারন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বিদেন নিজেই একসময় সেনেটর থাকা কালীন ইন্সুরান্স কোম্পানীদের স্বার্থ দেখেছেন। ওবামা কেন বিদেনকে পছন্দ করলেন-আমাদের অনেকের কাছেই তা পরিস্কার না।
কিন্ত সে যাইহোক মন্দের ও ভাল দিক থাকে। দেখা যাচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন কংগ্রেসম্যানরা জনসনংযোগ এখন আরো ভাল করছেন। ফ্যাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমের বিরুদ্ধে জনগনের ক্ষোভ সেনেটে দ্রুত পৌঁছচ্ছে। ব্লগে ব্লগে ক্ষোভ ফেটে পড়ছে। প্রযুক্তির সাথে গণতন্ত্র উন্নত হবে-এটাই কাম্য ছিল। সব থেকে বড় কথা এনরন থেকে ওয়ার্ল্ডকমের ঘটনায় জনগন এটা বুঝেছে নামি দামি দামী কোম্পানীর সি ই ও দের হিরো বানায় মিডিয়া-আসলেই তাদের সাথে পেশাদার চোরেদের পার্থক্য কম। উভয়েই টাকার লোভে জেলে যাওয়ারও রিক্স নিতে পারে। ফলে কর্পরেট আমেরিকার পক্ষে এই নতুন উজ্জীবিত জনগনকে সিএন এন আর ফক্স নিউজের গল্প দিয়ে ম্যনেজ করা যাচ্ছে না। আর কোন দিন যাবেও না। কারন স্যোশাল অলটারনেট মিডিয়াগুলো এখন আমেরিকাতে প্রচন্ড শক্তিশালী।
আমাদের দেশে ব্যাঙ্কিং এবং ইন্সিউরান্সকে বেচে দেওয়ার যে পক্রিয়া শুরু হয়ছে-তাকে থামাতে হবে। সিপিএম, কংগ্রেস, মায়াবতী, বিজেপি কেওই একে ঠেকাবে না। রাজনীতিবিদদের পার্টির নাম, এজেন্ডা বদল হয়-আসলে কেহই এই ব্যাবসায়ীগোষ্ঠির জাল কাটতে পারে না। এটা পশ্চিমবঙ্গে বামেদের অবস্থা থেকে পরিস্কার বোঝা উচিত। ওরা ভোট চাই বেসরকারীকরন আটকাবে বলে। কিন্তু সেরকম কিছু সদিচ্ছা থাকলে, আমি আগেই লিখেছিলাম, প্রকাশ কারাত তৃতীয় সার্কাসে বিজেপির প্রাত্তন দোশরদের পেছনে না ঘুরে, অন্যান্য রাজ্যে আন্দোলনে নামতেন, জমি তৈরী করতে। সেই সদিচ্ছা নেই। তাই যেসব বামপন্থী বেসরকারীকরন আটকানোর জন্যে সিপিএমের ওপর নির্ভর করতে চান-তারা মারাত্মক ভুল করবেন।
এই বেসরকারীকরন আটকানো বা ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমের জাতীয়তাকরন, একমাত্র জনগনের চাপেই হতে পারে। মিডিয়া এই ব্যাপারে ব্যাবসায়ীদের পক্ষ নেবে-তাই আমাদের এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্যে আমেরিকান মতন অলটারনেট মিডিয়ার আরো বেশী করে ব্যাবহার করতে হবে। আমাদের দেশে ইন্টারনেট সবার কাছে পৌছায় না-ফলে সেই অসুবিধাটা আছেই। কিন্তু যতটা সম্ভব ব্লগ, ইন্টারনেট রেডিও, ইউ টিউবের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতন জনগন যেন অন্যদের সাথে তাদের ক্ষোভ এবং মতামত ভাগ করে নিতে পারে-সেই গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালু করতে হবে। জনগনের মিডিয়ার সামনেই একমাত্র প্রকৃত গণতন্ত্র আসবে।
Wednesday, March 4, 2009
মমতা আগে থেকেই পার্থী দিচ্ছেন কেন?
টাটা বিদায় থেকে বাঙালীর রাহুর দশা অব্যাহত। আজই শোনা গেল-কাটোয়ার বর্তমান এম পি আবু আয়েশ মন্ডল সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়েছেন। কারন তাকে টিকিট দেয় নি সিপিএম। কারা আজকাল সিপিএমে থাকে এই ঘটনায় আরো পরিস্কার হচ্ছে-যেখানে এতদিনের এক সদস্য রাত বদলিয়ে তৃণমুলে আসতে লজ্জা পান না। পাশাপাশি এটাও ঠিক নন্দীগ্রাম এবং সিঙ্গুরে জমি বাঁচানোর আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তৃণমূল একটি বাম চরিত্র পেয়েছে -ফলে অনেক প্রখ্যাত বাম ব্যাক্তিত্ব এখন তৃণমূলের সাথে। সেইজন্যে তৃণমূল এখণ বামেদের কাছে অচ্ছুৎ নয়। এর ফলে আপাতত সব থেকে বেশী ক্ষতি পি ডি এসের। কিন্ত পাশাপাশি এটাও ঠিক এখন রাজ্য রাজনীতি যে অবস্থায়-সেখানে সিপিএম এবং সিপিএম বিরোধি-এর বাইরে কোন সুস্থ পথ দাঁড় করানো মুশকিল। সিপিএম ক্ষমতা থেকে না গেলে সেটা হবে বলে মনে হয় না। সেই সুযোগ সমাগত। সিপিএমের যদু বংশ এখন মুশল পর্বে। সিটুর সাথে ডি ওয়াই এফ আই, সিটুর সাথে পার্টির মারামারি নিত্যদিনের ঘটনা। যে কয়েক এখনো সৎ এবং আদর্শবাদি নেতা সিপিএমে আছেন-তারা সিপিএম করতে ভয় পাচ্ছেন।
চোখ কান বুঁজে এইসব ধান্দাবাজ কমরেডদের নোংরামো সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছেন-নইলে হয়ত প্রাণেই মেরে ফেলবে তাদের প্রমোটারিতে বাধা দিতে গেলে। স্বার্থন্বেষী যদুকুল যে মুশল যুদ্ধ শুরু করেছে নিজেদের ধ্বংশ করার জন্যে সেই দেখে এক সিপিএম নেতা ব্যাক্তিগত ভাবে সেদিন বললেন এর থেকে এবার হারা ভাল। এই সব বেনোজল দূর হবে। নইলে আজকাল পার্টি অফিসে যেতেও তার মতন চল্লিশ বছর ধরে সিপিএম করা সৎ নেতারা ভয় পাচ্ছেন। সবাইত আর আবু মন্ডলের মতন পরের দিন তৃণমূলে যোগ দিতে পারবে না।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বিরোধিরা এর সুযোগ নিতে পারবে কি? যতদিন মমতা বিরোধি নেত্রী? ৮০-৯৬ সিপিএম টিকেছে কংগ্রেসের কোন্দলের জন্য। '৯৬ থেকে সিপিএম টিকেছে মমতার জন্যে। গত কয়েকমাসে খেলাটা ঘুরে গেল। কেন? কারন সিপিএমের হাত থেকে মুক্তি পেতে জনগন উদ্গ্রীব। পুলিশ, পার্টি, প্রশাসন দিয়ে ঘিরে সাধারন মানুষের বিরুদ্ধে, তাদের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সিপিএম যে চক্রবূহ্য তৈরী করেছে-তার থেকে মানুষ মুক্তি চাইছে সর্বত্র। মমতার বদলে প্রণব মুখার্জী বা প্রিয় রঞ্জন দাশমুন্সির মতন কেও বিরোধি নেতৃত্বে থাকলে এটা প্রায় নিশ্চিত ছিল। কিন্তু সেরকম কিছু হয় নি-দিল্লীর দিকে চাতক পাখীর মতন চেয়ে রাজ্যে সিপিএম বিরোধি আন্দোলনকে উপেক্ষা করেছে কংগ্রেস। ফসল তুলেছেন মমতা। সেই আন্দোলনে পশ্চিম বঙ্গের ক্ষতি হয়েছে অনেক-কিন্তু লাভ হয়েছে মমতার। মমতা সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন। এই জায়গায় হেরে গেছে পি ডিএস, এস উ সি আই। কংগ্রেস। রাজ্যের লোক সিপিএমের লোকেদের হাতে নিস্পেষিত হয়ে এখন মুক্তি চাইছে সব কিছু ছেড়ে-এই মারাত্মক অবস্থানই রাজ্যের কাল-কিন্ত কি আর করা যাবে-স্বাধীনতা হীনতায় কে আর বাঁচতে চাই!
মমতা এই সুযোগে সবাইকে বসিয়ে দিচ্ছেন। সে গণতান্ত্রিক অধিকার তার আছে। কংগ্রেস কৃষ্ণ নগরে মহুয়া মৈত্রকে দাঁড় করানোর কথা ঘোষনা করতেই সেখানে তাপস পাল এসে গেল! বেচারী মহুয়া বিদেশের চাকরী ছেড়ে দেশ সেবা করতে এসে হারে হারে বুঝছে দিদি কি চীজ। রাহুল দর্শন না করে একবার কালীঘাটে দেবী দর্শন করলে এই হাল হত না বোধ হয়। মমতার হাতেই সব -কংগ্রেসের উত্তর বঙ্গ ছাড়া কিছুই নেই।
কিন্তু সেটাও ঠিক না। কংগ্রেসের আসল জিনিস আছে। সেটা হচ্ছে ভোটে জেতার জন্যে টাকা। সেটা তৃণমূলের নেই। ফলে কংগ্রেসের ওপর তৃণমূলকে নির্ভর করতেই হবে। কংগ্রেস বুদ্ধিমানের কাজ করছে। শুধ যেসব আসনে বিরোধিদের জেতার আশা এবার খুব বেশী সেগুলোই নিচ্ছে। কৃষ্ণ নগরে ভোট ভাগ না হলে বিরোধিরা জিতবেই।
তৃণমূল তাপস, শতাব্দি, সুমনকে আনতে চাইছে। তীব্র বিরোধিতা করছি পশ্চিম বঙ্গের রাজনীতিকে তামিলনাডু বানাবার জন্যে। তবে ফিল্ম স্টাররা এখানে খোরাক। তাদের পক্ষে ফিল্ম ছেড়ে নিজের এলাকা দেখভাল করা সম্ভব নয়। পশ্চিম বঙ্গের লোক তার থেকে অনেক বেশী রাজনীতি সচেতন।
Sunday, March 1, 2009
Saturday, February 21, 2009
ইসলামের সমালোচনা করাই দৈনিক স্টেটসম্যানের সম্পাদক গ্রেফতার
এই নিয়ে পশ্চিম বঙ্গের সংবাদপত্রে আমি কোন সংবাদই দেখিলি-বাংলাদেশের প্রথম আলো ছাপিয়েছে-যদিও ঘটনা ঘটেছে কোলকাতায়
যরত মুহাম্মদকে (সাঃ) নিয়ে আপত্তিকর প্রবন্ধ প্রকাশের দায়ে গতকাল গ্রেফতারকৃত ভারতীয় দৈনিক দ্য স্টেটসম্যানের সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার ও প্রকাশক আনন্দ সিনহাকে জামিন দেয়া হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কোলকাতার একজন মুসলিম নেতা ইসলাম বিরোধী প্রবন্ধ প্রকাশের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং এর স্বল্প সময় পরই আদালত তাদেরকে জামিন দেয়। সম্প্রতি দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকায় ব্রিটিশ লেখক জন হ্যারির লেখা Why should I respect these oppressive religions? ( ‘কেন আমি এই অত্যাচারী ধর্মকে শ্রদ্ধা করবো' ) শীর্ষক একটি নিবদ্ধ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু ইংরেজি ঐ দৈনিকটির পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত বিতর্কিত নিবন্ধের জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়নি। (সুত্র )
এর আগে জন হ্যারির বিতর্কিত ঐ লেখাটি পশ্চিমা কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
মূল প্রবন্ধ এখানে দেওয়া হলঃ
http://www.independent.co.uk/opinion/commentators/johann-hari/johann-hari-why-should-i-respect-these-oppressive-religions-1517789.html
প্রথমত জনহ্যারির লেখাটি ধর্ম সম্মন্ধে বিশেষত ইসলাম সম্মন্ধে কটূ সত্যকেই প্রকাশ করেছে। সেটা হল এই যে ইসলামের পশ্চাদপর অন্ধকার অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে, রাজনৈতিক ক্ষমতা লুটছে কিছু ব্যাক্তি। সেটা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান-সব দেশের জন্যে সত্য। এই সত্যটুকু প্রকাশের অধিকারও কেড়ে নিলে-আমরা অন্ধকারে ডুবে যাব।
এই লেখাটিতে জন হ্যারি যে দাবি করেছেন তা আমিও করিঃ
The Universal Declaration of Human Rights stated 60 years ago that "a world in which human beings shall enjoy freedom of speech and belief is the highest aspiration of the common people". It was a Magna Carta for mankind – and loathed by every human rights abuser on earth. Today, the Chinese dictatorship calls it "Western", Robert Mugabe calls it "colonialist", and Dick Cheney calls it "outdated". The countries of the world have chronically failed to meet it – but the document has been held up by the United Nations as the ultimate standard against which to check ourselves.
এবং জন হ্যারি যে সমস্যার কথা বলেছেন তা আজকের নয়। মানবাধিকার আসলেই সার্বজনীন। ১৮২৪ সালে লর্ড বেন্টিং একই দ্বিধার সম্মুখীন ছিলেন-সতীদাহ প্রথা রধ করার জন্যে। এবং তিনিও সিদ্ধান্তে এসেছিলেন-মানবাধিকার সবার জন্যে-তা কোন পশ্চিমা ধারা নয়। তাই ধর্মের দোহাই দিয়ে হিন্দুরা সতীদাহ প্রথা চলাতে পারে না। অথচ ধর্মের নামেই সবথেকে বেশী মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় পৃথিবীর সবদেশে। এই নিয়ে আমার ২০০৫ সালে লেখা একটি ব্লগ দেখতে পারেনঃ
লক্ষ্য করুন লর্ড বেনটিঙ্ক ও একই কথা বলেছেনঃ
With the firm undoubting conviction entertained upon this question, I should be guilty of little short of the crime of multiplied murder if I could hesitate in the performance of this solemn obligation
ধর্মকে সমালোচনা করার অ ধিকার নিয়ে যে লড়াই আমরা করছি-সেই লড়াকু অকুতোভয় যোদ্ধাদের জন্যে ঘটনাটা জানিয়ে রাখলাম। এর সাথে প্রথম আলোর পাঠকদের মন্তব্যগুলোও দিলামঃ
http://prothom-aloblog.com/users/base/broadcaster/131#
পাঠকরা নিন্দা জানাতেই পারেন। তবে কিছু কিছু পাঠকের বাক স্বাধীনতা হরন করার দাবি দেখে আসলেই দুঃখ হয় এরা কোন শতাব্দির লোক? এদের ভারতেও হিন্দুদের মধ্যেও দেখেছি। তবে ইসলামে এই ধরনের ডাইনোসরদের সংখ্যা অন্যধর্মের চেয়ে বেশী-সেটাও ঠিক।
ধর্মের মুখোশ এই ভাবে বেশীদিন আটকে রাখা যাবে না। ধর্মের আসল মুখ রাজনৈতিক ক্ষমতালিপ্সু কিছু অসৎ লোকের-আর মুখোসটা হচ্ছে মানবিকতা, নৈতিকতার নামাবলী। কোরান এবং গীতা পড়লে এটা ভালো বোঝা যায়। তখনকার সময়ে রাষ্ট্র গঠনে এসবের দরকার ছিল-সেটা মেনে নিতে আমার আপত্তি নেই। কারন তা সত্য। কিন্ত বর্তমানে ধর্মের নামাবলী চাপিয়ে ক্ষমতাদখলের রাজনীতি যারা করছেন-তাদের জেলে না ঢুকিয়ে-সাহসী সম্পাদকদের কেন জেলে ঢোকানো হবে-সেই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু ভবিষ্যত চাইবে।
যরত মুহাম্মদকে (সাঃ) নিয়ে আপত্তিকর প্রবন্ধ প্রকাশের দায়ে গতকাল গ্রেফতারকৃত ভারতীয় দৈনিক দ্য স্টেটসম্যানের সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার ও প্রকাশক আনন্দ সিনহাকে জামিন দেয়া হয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, কোলকাতার একজন মুসলিম নেতা ইসলাম বিরোধী প্রবন্ধ প্রকাশের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং এর স্বল্প সময় পরই আদালত তাদেরকে জামিন দেয়। সম্প্রতি দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকায় ব্রিটিশ লেখক জন হ্যারির লেখা Why should I respect these oppressive religions? ( ‘কেন আমি এই অত্যাচারী ধর্মকে শ্রদ্ধা করবো' ) শীর্ষক একটি নিবদ্ধ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু ইংরেজি ঐ দৈনিকটির পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত বিতর্কিত নিবন্ধের জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়নি। (সুত্র )
এর আগে জন হ্যারির বিতর্কিত ঐ লেখাটি পশ্চিমা কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
মূল প্রবন্ধ এখানে দেওয়া হলঃ
http://www.independent.co.uk/opinion/commentators/johann-hari/johann-hari-why-should-i-respect-these-oppressive-religions-1517789.html
প্রথমত জনহ্যারির লেখাটি ধর্ম সম্মন্ধে বিশেষত ইসলাম সম্মন্ধে কটূ সত্যকেই প্রকাশ করেছে। সেটা হল এই যে ইসলামের পশ্চাদপর অন্ধকার অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে, রাজনৈতিক ক্ষমতা লুটছে কিছু ব্যাক্তি। সেটা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান-সব দেশের জন্যে সত্য। এই সত্যটুকু প্রকাশের অধিকারও কেড়ে নিলে-আমরা অন্ধকারে ডুবে যাব।
এই লেখাটিতে জন হ্যারি যে দাবি করেছেন তা আমিও করিঃ
The Universal Declaration of Human Rights stated 60 years ago that "a world in which human beings shall enjoy freedom of speech and belief is the highest aspiration of the common people". It was a Magna Carta for mankind – and loathed by every human rights abuser on earth. Today, the Chinese dictatorship calls it "Western", Robert Mugabe calls it "colonialist", and Dick Cheney calls it "outdated". The countries of the world have chronically failed to meet it – but the document has been held up by the United Nations as the ultimate standard against which to check ourselves.
এবং জন হ্যারি যে সমস্যার কথা বলেছেন তা আজকের নয়। মানবাধিকার আসলেই সার্বজনীন। ১৮২৪ সালে লর্ড বেন্টিং একই দ্বিধার সম্মুখীন ছিলেন-সতীদাহ প্রথা রধ করার জন্যে। এবং তিনিও সিদ্ধান্তে এসেছিলেন-মানবাধিকার সবার জন্যে-তা কোন পশ্চিমা ধারা নয়। তাই ধর্মের দোহাই দিয়ে হিন্দুরা সতীদাহ প্রথা চলাতে পারে না। অথচ ধর্মের নামেই সবথেকে বেশী মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় পৃথিবীর সবদেশে। এই নিয়ে আমার ২০০৫ সালে লেখা একটি ব্লগ দেখতে পারেনঃ
লক্ষ্য করুন লর্ড বেনটিঙ্ক ও একই কথা বলেছেনঃ
With the firm undoubting conviction entertained upon this question, I should be guilty of little short of the crime of multiplied murder if I could hesitate in the performance of this solemn obligation
ধর্মকে সমালোচনা করার অ ধিকার নিয়ে যে লড়াই আমরা করছি-সেই লড়াকু অকুতোভয় যোদ্ধাদের জন্যে ঘটনাটা জানিয়ে রাখলাম। এর সাথে প্রথম আলোর পাঠকদের মন্তব্যগুলোও দিলামঃ
http://prothom-aloblog.com/users/base/broadcaster/131#
পাঠকরা নিন্দা জানাতেই পারেন। তবে কিছু কিছু পাঠকের বাক স্বাধীনতা হরন করার দাবি দেখে আসলেই দুঃখ হয় এরা কোন শতাব্দির লোক? এদের ভারতেও হিন্দুদের মধ্যেও দেখেছি। তবে ইসলামে এই ধরনের ডাইনোসরদের সংখ্যা অন্যধর্মের চেয়ে বেশী-সেটাও ঠিক।
ধর্মের মুখোশ এই ভাবে বেশীদিন আটকে রাখা যাবে না। ধর্মের আসল মুখ রাজনৈতিক ক্ষমতালিপ্সু কিছু অসৎ লোকের-আর মুখোসটা হচ্ছে মানবিকতা, নৈতিকতার নামাবলী। কোরান এবং গীতা পড়লে এটা ভালো বোঝা যায়। তখনকার সময়ে রাষ্ট্র গঠনে এসবের দরকার ছিল-সেটা মেনে নিতে আমার আপত্তি নেই। কারন তা সত্য। কিন্ত বর্তমানে ধর্মের নামাবলী চাপিয়ে ক্ষমতাদখলের রাজনীতি যারা করছেন-তাদের জেলে না ঢুকিয়ে-সাহসী সম্পাদকদের কেন জেলে ঢোকানো হবে-সেই প্রশ্নের উত্তর কিন্তু ভবিষ্যত চাইবে।
Tuesday, February 10, 2009
What can we do for our parents in home
India is not an welfare state like Europe. Over last two decades, due to severe economic stagnation, generations of best and brightest from Bengal had to leave West Bengal and settle elsewhere for living. But now the obvious peril of the exodus is looming larger. Thousands of parents have been left alone -who would take care of them? what they are going to do? How they can avail medical emergency in need? I know somebody among us had to come forward.
http://www.youtube.com/watch?v=5oMXzU-cr3A
I am glad, Animesh Chowdshuri from Virginia, finally came forward. He has started long waited organization, that we, all the NRBs badly need. So I decided to tak his interview so that he can explain what he is trying to do for our parents. Please click on this link to see the video. Below is his company website.

..
http://www.youtube.com/watch?v=5oMXzU-cr3A
I am glad, Animesh Chowdshuri from Virginia, finally came forward. He has started long waited organization, that we, all the NRBs badly need. So I decided to tak his interview so that he can explain what he is trying to do for our parents. Please click on this link to see the video. Below is his company website.
Taking care of your parents in Kolkata

..
Subscribe to:
Posts (Atom)